নবী-রাসূল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
নবী-রাসূল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৫

বইঃ আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া - ফ্রি ডাউনলোড

বইঃ আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া - ফ্রি ডাউনলোড



বইঃ আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া - ফ্রি ডাউনলোড

“আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া” Al Bidaya Wal Nihaya প্রখ্যাত মুফাসসির ও ইতিহাসবেত্তা আল্লামা ইবনে কাসীর (রহ) প্রণীত একটি সুবৃহৎ ইতিহাস গ্রন্থ। এই গ্রন্থের সৃষ্টির শুরু তথা আরশ, কুরসী, নভোমন্ডল, ভূমন্ডল প্রভৃতি এবং সৃষ্টির শেষ তথা হাশর-নশর, কিয়ামত, জান্নাত, জাহান্নাম প্রভৃতি সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৪

নবী আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চরিত্র ও গুণাবলি

নবী আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চরিত্র ও গুণাবলি



নবী আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চরিত্র ও গুণাবলি 

নবীজির চারিত্রিক গুণাবলি:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন সুন্দর আকৃতিবিশিষ্ট, সৌরভে সুবাসিত, গঠনে মধ্যম, দেহে সবল, মস্তক ছিল বড়, দাড়ি ছিল ঘন, হস্ত ও পদ-দ্বয় ছিল মাংসল, উভয় কাঁধ ছিল বড়, চেহারায় ছিল রক্তিম ছাপ, নেত্র দ্বয় ছিল কালো, চুল ছিল সরল, গণ্ড দ্বয় কোমল। চলার সময় ঝুঁকে চলতেন, মনে হত যেন উঁচু স্থান হতে নিচুতে অবতরণ করছেন। যদি কোন দিকে ফিরতেন, পূর্ণ ফিরতেন। মুখমণ্ডলের ঘাম সুঘ্রাণের কারণে মনে হত সিক্ত তাজা মুক্তো। তার উভয় কাঁধের মাঝখানে নবুয়তের মোহর ছিল্তঅর্থাৎ সুন্দর চুল ঘেরা গোশতের একটি বাড়তি অংশ।

নবীজীর চরিত্র:
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন সুমহান, পূর্ণ ও শ্রেষ্ঠতর চরিত্রে সুসজ্জিত, সবদিকে অতুলনীয়। মহান আল্লাহ বলেন :
وَإِنَّكَ لَعَلى خُلُقٍ عَظِيمٍ (سورة القلم:৪)
"এবং নিশ্চয় তুমি মহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত"। (সূরা কালাম :৪)

বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের গুণাবলী

بسم الله الرحمن الرحيم

ভূমিকা
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর বান্দাদের প্রতি পরিপূর্ণতার গুণাবলী দ্বারা অনুগ্রহ করেছেন এবং তাদের একের উপর অন্যের মর্যাদাকে সমুন্নত করেছেন; যাতে তাদেরকে পরীক্ষা করা যায় সেসব বৈশিষ্ট্যের ব্যাপারে, যা থেকে তাদেরকে দেয়া হয়েছে; আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ছাড়া কোন হক ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই, তার রয়েছে বিরাট রাজত্ব, আর তিনি সুউচ্চ; আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল, যাঁকে প্রেরণ করা হয়েছে সর্বোত্তম চরিত্র ও সুন্দর কর্মের পরিপূর্ণতা বিধান করার জন্য; রাত-দিন আল্লাহ রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন তাঁর প্রতি, তাঁর পরিবার-পরিজনের প্রতি, তাঁর সাহাবীগণের প্রতি এবং তাঁদের সর্বোত্তম অনুসরণকারী তাবে‘য়ীগণের প্রতি ...।

অতঃপর:
আল্লাহ তা‘আলা মহান রিসালাতের দায়িত্ব মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট অর্পণ করেছেন; আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:
﴿ ٱللَّهُ أَعۡلَمُ حَيۡثُ يَجۡعَلُ رِسَالَتَهُۥۗ ﴾ [الانعام: ١٢٤]
আল্লাহ তাঁর রিসালাত কোথায় অর্পণ করবেন তা তিনিই ভাল জানেন - [ আল-আন‘আম: ১২৪ ]। তিনি তা এমন এক ব্যক্তির নিকট অর্পণ করেছেন, যাঁকে তিনি সৃষ্টিগত, চরিত্রগত[1] ও আকৃতি-প্রকৃতিগতভাবে পূর্ণতা দান করেছেন, যাতে তিনি এই মহান রিসালাতের দায়িত্ব বহন করতে পারেন; সুতরাং নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সৃষ্টিগত ও চরিত্রগতভাবে সবচেয়ে পরিপূর্ণ মানুষ ছিলেন।  
* * *

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই, ২০১৩

মহানবী (সাঃ) এর জীবনী গ্রন্থঃ আর রাহীকুল মাখতূম – ফ্রি ডাউনলোড


শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু


সংক্ষিপ্ত বর্ণনাঃ আলোচ্য গ্রন্থ ‘আর রাহীকুল মাখতূম’ শাইখ আল্লামা সফিউর রহমান মুবারকপুরি কর্তৃক রচিত। সৌদি আরবের সরকারী উদ্যোগে রাবেতা আলম আল ইসলামীর পক্ষ থেকে ১৩৯৬ হিজরী সনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবন-চরিত বিষয়ক গ্রন্থ রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। তিনি সারা বিশ্ব থেকে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণকারী ১১৮২জন প্রতিযোগীর মধ্যে প্রথম পুরস্কার লাভের এক দুর্লভ গৌরব অর্জন করেন। এ গ্রন্থটি সর্বস্তরের মানুষের নিকট অত্যন্ত সমাদৃত হয়েছে। সকলেই অত্যন্ত প্রশংসা করেছেন গ্রন্থটির। সবচেয়ে নির্ভর যোগ্য তথ্য সম্বলিত নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনী গ্রন্থ হিসেবে ‘আর রাহীকুল মাখতূম’ বিশ্বের বিখ্যাত উলামা ও গবেষকগণের যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে এ বইটি আমাদের প্রিয় মাতৃভাষা সহ পৃথিবীর অগণিত জীবন্ত ভাষায় অনুদিত হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০১৩

বই – নবীদের কাহিনী (ফ্রি ডাউনলোড)

বই – নবীদের কাহিনী (ফ্রি ডাউনলোড)


শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু

আশরাফুল মাখলুকাত মানব জাতির কল্যাণে প্রেরিত মানব জাতির বিধান সমূহ প্রচার ও প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আল্লাহ স্বীয় অনুগ্রহে আদম (আঃ) থেকে মুহাম্মাদ (সাঃ) যুগে যুগে যে অসংখ্য নবী রাসূল প্রেরন করেছেন তাদের মধ্য থেকে মাত্র ২৫ জন নবীর নাম আল্লাহ পবিত্র কুরআনে গুরুত্ত্বের সাথে উল্ল্যেখ করেছেন এবং সত্যের পথে তাঁদের দৃঢ়চিত্ত্ব সংগ্রামের হৃদয়গ্রাহী সংগ্রামের বর্ণনা করে মানবতার সামনে সত্য ন্যায় ও সুন্দরের অনুপম মানদণ্ড উপস্থাপন করেছেন। এসব কাহিনী কেবল চিত্ত বিনোদনের খোরাক নয়, বরং এক অবিরাম বিচ্ছুরিত আলোকধারা,  যার প্রতিটি কণায় বিকশিত হয় মানবতার সর্বোচ্চ নমুনা। নবী ও রাসূলগণের জীবনালেখ্য জানা ও তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা আমাদের মুসলমানদের অপরিহার্য কর্তব্য। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি বাংলাদেশে ের বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস খুবই দুর্লভ। তাই বিষয়টির গুরুত্ত্ব উপলব্ধি করে মাননীয় লেখক প্রফেসর ডঃ মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব এই মুল্যবান ইতিহাসটি লিখেন।

শনিবার, ৬ এপ্রিল, ২০১৩

নবী জীবনী

নবী জীবনী



নবী জীবনী

মুর্তি পূজাই ছিল আরব দেশে প্রচলিত ধর্ম। সত্য ধর্মের পরিপন্থী এ ধরনের মূর্তিপূজাবাদ অবলম্বন করার কারণে তাদরে এ যুগকে আইয়্যামে জাহেলিয়াত তথা মুর্খতার যুগ বলা হয়। লাত, উযযা, মানাত ও হুবল ছিল তাদের প্রসিদ্ধ উপাস্যগুলোর অন্যতম। আরবের কিছু লোক ইয়াহূদী বা খৃষ্টান ধর্ম বা অগ্নি পুজকদের ধর্ম গ্রহণ করেছিল। আবার স্বল্প সংখ্যক লোক ছিল যারা ইবরাহিম আলাইহিস সালাম এর প্রদর্শিত পথে ছিল অবিচল, আঁকড়ে ধরেছিল তাঁর আদর্শ। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে বেদুঈনরা সম্পূর্ণভাবে পশু সম্পদের উপর নির্ভর করত। আর নগরবাসীদের নিকট অর্থনৈতিক জীবনেরও ভিত্তি ছিল কৃষি কাজ ও ব্যবসা-বাণিজ্য। ইসলাম আবির্ভাবের পূর্বে আরব দেশে মক্কাই ছিল বৃহত্তর বাণিজ্য নগরী। অন্যান্য বিভিন্ন অঞ্চলে উন্নয়ন ও নাগরিক সভ্যতা ছিল। সামাজিক দিক দিয়ে যুলুম সবর্ত্র বিরাজমান ছিল, সেখানে দুর্বলের ছিলনা কোন অধিকার। কন্যা সন্তানকে জীবদ্দশায় দাফন করা হতো। মান-ইজ্জত ও সম্মানকে করা হতো পদদলিত। সবল দুর্বলের অধিকার হরণ করতো। বহুবিবাহ প্রথার কোন সীমা ছিল না। ব্যভিচার অবাধে চলতো। নগন্য ও তুচ্চ কারণে যুদ্ধের অগ্নিশিখা জ্বলে উঠতো। সংক্ষেপে বলতে গেলে-ইসলামের আবির্ভাবের পূর্বে আরব দ্বীপের সার্বিক পরিস্থিতি এ ধরনের ভয়াবহই ছিল।