সুন্নাহ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সুন্নাহ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ১ জুন, ২০১৪

বিবাহের কতিপয় সুন্নাত সমূহ

বিবাহের কতিপয় সুন্নাত সমূহ



বিবাহের কতিপয় সুন্নাত সমূহ

যে সকল ভাইয়েরা/বোনেরা বিবাহ উপযুক্ত বা যাহারা বিবাহ নিয়ে ভাবছেন তাদের অথবা যারা অভিবাবক আছেন তারা জেনে নিন:

বিবাহের কতিপয় সুন্নত সমূহঃ

(১) মাসনূন বিবাহ সাদা সিধে ও অনাড়ম্বর হবে, যা অপচয়, অপব্যয়, বেপর্দা ও বিজাতীয় সংস্কৃতি মুক্ত হবে এবং তাতে যৌতুকের শর্ত বা সামর্থের অধিক মহরানার শর্ত থাকবেনা। (তাবারানী আউসাত, হাদিস নং- ৩৬১২)

(২) সৎ ও খোদাভীরু পাত্র-পাত্রীর সন্ধান করে বিবাহের পূর্বে পয়গাম পাঠানো। কোন বাহানা বা সুযোগে পাত্রী দেখা সম্ভব হলে, দেখে নেয়া মুস্তাহাব। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে ঘটা করে পাত্রী দেখানোর যে প্রথা আমাদের সমাজে প্রচলিত তা সুন্নতের পরিপন্থী ও পরিত্যাজ্য। (বুখারী হাদিস নং-৫০৯০, ইমদাদুল ফাতাওয়া-৪: ২০০)

শনিবার, ৩১ মে, ২০১৪

নবীর সুন্নতকে আঁকড়ে ধরা ও তার প্রভাব

সুন্নতে নববীকে আঁকড়ে ধরা ও জীবনে এর প্রভাব

উপস্থাপকের কথা,
সব প্রশংসা মহান আল্লাহ তা‘আলার, দরূদ ও সালাম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর হে আল্লাহ আপনি তাঁর উপর রহমত ও শান্তি নাযিল করুন।
আজকের এ মহিমান্বিত রাতে আমরা সবাই সৌভাগ্যবান – আশা করি আপনারা সকলেও- যে, আমরা এক মহান আলেমের সাথে মিলিত হয়েছি। তিনি তার মূল্যবান সময় ও ত্যাগ ইলম এবং তালিবে ইলমের খেদমতে দিয়েছেন। মহান আল্লাহর কাছে এর বিনিময়ে সাওয়াব ও প্রতিদান ছাড়া তিনি পার্থিব কোনো কিছু আশা করেন না। তিনি হলেন মহামান্য শাইখ মুহাম্মদ ইবন সালিহ আল-উসাইমীন, সর্বোচ্চ উলামা পরিষদের সদস্য, মসজিদে ‘উনাইযার ইমাম ও খতীব, প্রফেসর, ইমাম মুহাম্মদ ইবন স‘উদ আল-ইসলামিয়া, আল-কাসিম শাখা।  
“সুন্নতে নববীকে আঁকড়ে ধরা ও জীবনে এর প্রভাব” সম্পর্কে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মদিনা প্রাঙ্গণে মদিনা উৎসব কমিটি কর্তৃক আয়োজিত ১ম আলোচনা সভায় আমাদের ডাকে সাড়া দেয়ার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও দো‘আ কামনা করছি।
সম্মানিত পিতা শাইখ মুহাম্মদ ইবন সালিহ আল-‘উসাইমীনকে তার আলোচনা পেশ করার অনুরোধ করছি - আল্লাহ তার ও তার ইলমের দ্বারা ইসলাম ও মুসলিমকে উপকৃত করুন- । আলোচনা শেষে শাইখ মহোদয় লিখিত প্রশ্নের উত্তর দিবেন। ধন্যবাদ।

বুধবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৪

শরয়ী ইলম সংক্রান্ত কিছু জরুরী জ্ঞাতব্য বিষয়

শরয়ী ইলম সংক্রান্ত কিছু জরুরী জ্ঞাতব্য বিষয়



শরঈ ইলম সংক্রান্ত কিছু জরুরী জ্ঞাতব্য বিষয়

বিষয় সূচী
অনুবাদকের ভূমিকা.........................................................
শাইখ আব্দুর রহমানের বাণী...............................................
শাইখ মুহাম্মাদ আল্‌ খুযাযেরের বাণী.....................................
গ্রন্থাকারের ভূমিকা.........................................................................
প্রথম ভূমিকা: আল্লাহর পথে দাওয়াত........................

সোমবার, ৭ এপ্রিল, ২০১৪

ইত্তেবায়ে রাসূল

 ইত্তেবায়ে রাসূল



 ইত্তেবায়ে রাসূল


ভূমিকা
  إِنَّ الْحَمْدُ للهِ ، نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِيْنُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ ، وَنَعُـوْذُ بِاللهِ مِنْ شُرُوْرِ أَنْفُسِنَا ، وَمِنْ سَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا ، مَنْ يَّهْدِهِ اللهُ فَلاَ مُضِلَّ لَهُ ، وَمَنْ يُّضْلِلِ اللهُ فَلاَ هَادِيَ لَهُ ، وَأَشْهَدُ أَنْ لاَّ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ
নিশ্চয় যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্য আমরা তারই প্রশংসা করি, তার কাছে সাহায্য চাই, তার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আল্লাহর নিকট আমরা আমাদের প্রবৃত্তির অনিষ্টতা ও আমাদের কর্মসমূহের খারাবী থেকে আশ্রয় কামনা করি। আল্লাহ যাকে হেদায়েত দেন, তাকে গোমরাহ করার কেউ নাই। আর যাকে গোমরাহ করেন তাকে হেদায়েত দেয়ার কেউ নাই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্যিকার ইলাহ নেই, তিনি একক, তার কোন শরিক নাই। আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রাসূল। সালাত ও সালাম নাযিল হোক তার উপর, তার পরিবার-পরিজন ও তার সাহাবীদের উপর এবং যারা কিয়ামত অবধি এহসানের সাথে তাদের অনুসরণ করেন তাদের উপর।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন স্বীয় বান্দাদের প্রতি অধিক দয়ালু ও ক্ষমাশীল। তিনি তার বান্দাদের যে কোন উপায়ে ক্ষমা করতে ও তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করতে পছন্দ করেন।
আমরা সরল পথে চলতে চাই, হক জানতে চাই। অথচ সুপথ পেতে হলে রব হিসেবে আল্লাহকে মানতে হবে, তাগূতকে বর্জন করতে হবে; জীবনাদর্শ হিসেবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অনুসরণ করতে হবে এবং তাকে অনুকরণীয় আদর্শ হিসেবে মানতে হবেরাসূলের জীবনেই আমাদের জন্য উত্তম আদর্শ রয়েছে। জীবনের সকল ক্ষেত্র থেকে বাতিল আদর্শ পরিত্যাগ করতে হবে। অন্ধ-অনুকরণ, অন্ধ-বিশ্বাস ও বিদআত- কুসংস্কার বর্জন করে ইত্তেবায়ে রসূল অর্থাৎ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও  হেদায়াতপ্রাপ্ত খলিফাদের অনুসরণ করতে হবে।

রবিবার, ৯ মার্চ, ২০১৪

সুন্নাহের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

সুন্নাহের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা



সুন্নাহের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

ভূমিকা
  إِنَّ الْحَمْدُ للهِ ، نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِيْنُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ ، وَنَعُـوْذُ بِاللهِ مِنْ شُرُوْرِ أَنْفُسِنَا ، وَمِنْ سَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا ، مَنْ يَّهْدِهِ اللهُ فَلاَ مُضِلَّ لَهُ ، وَمَنْ يُّضْلِلِ اللهُ فَلاَ هَادِيَ لَهُ ، وَأَشْهَدُ أَنْ لاَّ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ
নিশ্চয় যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্য আমরা তারই প্রশংসা করি, তার কাছে সাহায্য চাই, তার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আল্লাহর নিকট আমরা আমাদের প্রবৃত্তির অনিষ্টতা ও আমাদের কর্মসমূহের খারাবী থেকে আশ্রয় কামনা করি। আল্লাহ যাকে হেদায়েত দেন, তাকে গোমরাহ করার কেউ নাই। আর যাকে গোমরাহ করেন তাকে হেদায়েত দেয়ার কেউ নাই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্যিকার ইলাহ নেই, তিনি একক, তার কোন শরিক নাই। আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রাসূল। সালাত ও সালাম নাযিল হোক তার উপর, তার পরিবার-পরিজন ও তার সাহাবীদের উপর এবং যারা কিয়ামত পর্যন্ত সঠিকভাবে তাদের অনুসরণ করেন তাদের উপর।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন স্বীয় বান্দাদের প্রতি অধিক দয়ালু ও ক্ষমাশীল। তিনি তার বান্দাদের যে কোন উপায়ে ক্ষমা করতে ও তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করতে পছন্দ করেন।

সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৩

মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৩

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহর উপর আমলের আবশ্যকতা আর তার অস্বীকারকারীর কাফের হওয়া

بسم الله الرحمن الرحيم

ভূমিকা

সমস্ত প্রশংসা সৃষ্টিকুলের মহান রব আল্লাহর জন্য। উত্তম পরিণতি কেবল মুত্তাকীদের জন্য। সালাত ও সালাম নাযিল হোক তার বান্দা ও রাসূল আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর; যাকে সকল সৃষ্টির জন্য রহমত ও সমস্ত বান্দাদের জন্য দলীল হিসেবে প্রেরণ করা হয়েছে। আরও নাযিল হোক তার পরিবার-পরিজন ও সাথী-সঙ্গীদের উপর; যারা অত্যন্ত আমানতদারিতা ও দৃঢ়তার সাথে তাদের পবিত্র মহান প্রভুর কিতাব ও তাদের নবীর সুন্নাহ্‌কে বহন করেছে এবং শব্দ ও অর্থ পরিপূর্ণ সংরক্ষণ করে তাদের পরবর্তীদের নিকট পৌঁছিয়েছে। আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট ও তাদের খুশি করুন এবং আমাদেরকে তাদের সুন্দর অনুসারী হিসেবে কবুল করুন। 
পূর্বের ও পরবর্তী যুগের সমস্ত আলেম এ বিষয়ে একমত যে, কোনো বিধান প্রমাণ করা ও কোনো বস্তুকে হারাম ও হালাল সাব্যস্ত করার ক্ষেত্রে প্রথম গ্রহণযোগ্য মূল উৎস হচ্ছে, আল্লাহর কিতাব, যার সামনে বা পিছন কোনোদিক থেকেই তাতে বাতিল অনুপ্রবেশ করতে পারে না, তারপর আল্লাহর রাসূলের সুন্নাহ্‌, যিনি ওহী ছাড়া নিজের থেকে কোনো কথা বলেন না, এ দুটি হচ্ছে মূল উৎস। তারপর গ্রহণযোগ্য মূল উৎস হচ্ছে, উম্মতের ‘আলেমদের ‘ইজমা‘। এ তিনটি ব্যতীত অন্যান্য উৎসের বিষয়ে আলেমগণের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তন্মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে কিয়াস; তবে অধিকাংশ আলেমের মতে এটিজ্জত বা দলীল হিসেবে গণ্য হবে; যদি তার মধ্যে গ্রহণযোগ্যতার শর্তগুলো পাওয়া যায়। এ মূল উৎসগুলোর সাব্যস্ত করণে দলীল-প্রমাণাদি অগণিত ও অসংখ্য; যা এত প্রসিদ্ধ যে উল্লেখের প্রয়োজন পড়ে না।

বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০১৩

হাদীসের মর্যাদা ও হাদীস অমান্য করার পরিণতি

হাদীসের মর্যাদা ও হাদীস অমান্য করার পরিণতি



হাদীসের মর্যাদা ও হাদীস অমান্য করার পরিণতি

হাদীস অস্বীকার প্রসঙ্গে দুটি কথা:
সুপ্রিয় বন্ধুগণ, বর্তমান যুগে অগণিত ফিতনার মাঝে একটি বড় ফিতনা হল হাদীস অস্বীকার করা ফিতনা। এই হাদীস অস্বীকার কারীর দল তাদের নোংরা নখর বের করে সরাসরি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর স্বত্বা এবং হাদীসে রাসূলের উপর কঠিন ভাবে আক্রমণ শুরু করেছে। কারণ, হাদীস থেকে মুসলমানদের দূরে সরাতে পারলে মানুষকে ইসলাম থেকে দূরে সরানো পানির মত সোজা। এ জন্য তারা ফেসবুক, ওয়েবসাইট ও ওয়া মাহফিল, সভা ইত্যাদির মাধ্যমে তাদের এই জঘন্য অপ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। মানুষকে তারা হাদীসের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে সন্দিহান করে তুলছে। হাদীসের অপব্যাখ্যা করে তার মানহানি করছে। হাদীসকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করছে। তারা বলতে চায় শুধু কুরআন যথেষ্ট। হাদীস মানার প্রয়োজন নাই। হাদীস বা সুন্নাহ শব্দটি তারা শুনতে চায় না। যার কারণে এরা নিজেদেরকে নাম দিয়েছে আহলে কুরআন বা কুরআনের অনুসারী।
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ভবিষ্যৎ বাণী কত সত্য ভাবে প্রকাশিত হয়েছে!! তিনি বলেছেন:
(ألا إني أوتيت الكتاب ومثله معه لا يوشك رجل شبعان على أريكته يقول عليكم بهذا القرآن فما وجدتم فيه من حلال فأحلوه وما وجدتم فيه من حرام فحرموه)
“জেনে রাখ, আমি কুরআন প্রাপ্ত হয়েছি এবং তার সাথে আরও অনুরূপ আরেকটি জিনিস (তা হল হাদীস)। অচিরেই দেখা যাবে, এক লোক ভরা পেটে তার খাটের উপর থেকে বলবে: তোমরা এই কুরআনকে আঁকড়ে ধর। এতে যে সকল বস্তু হালাল পাবে সেগুলোকে হালাল মনে কর, আর যে সব বস্তুকে হারাম পাবে সেগুলোকে হারাম মনে কর।“ (আবু দাউদ, মিকদাদ ইবনে মাদিকারাব থেকে বর্ণিত, সনদ সহীহ)
উক্ত হাদীসটি আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নবুওয়াতের সত্যতার প্রমাণ বহন করে। কারণ, নবুওয়তের যুগ পার হওয়ার পরপরই শিয়া ও খারেজী সম্প্রদায়ের হাত ধরে বিভিন্ন দল তৈরি হয় তারা হাদীসের উপর আক্রমণ শুরু করে। তারা বলে কুরআনই যথেষ্ট এবং হাদীস ও সু্ন্নাহকে প্রত্যাখ্যান করে।

উনিশ শতকের শেষ দিকে এবং বিশ শতকের প্রথম দিকে ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশে নতুন করে এই ভ্রান্ত মতবাদের উৎপত্তি হয়। তারপর তা পাকিস্তানে জায়গা নেয়। এরপরে ক্রমান্বয়ে তা আরও বিভিন্ন মুসলিম দেশে সংক্রমিত হতে থাকে। বর্তমানে বাংলাদেশ তাদের জমজমাট কার্যক্রম রয়েছে। এমতের অনুসারীদের কেউ কেউ ইউরোপ-আমেরিকায় বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তাদের এই বিষাক্ত মতবাদ প্রচার করে যাচ্ছে। ফেসবুকে গড়ে তুলেছে বড় একটা গ্রুপ। এই পরিপ্রেক্ষিতে ইসলামে হাদীসের মর্যাদা ও হাদীসের অস্বীকার কারীদের পরিণতি সম্পর্কে নিন্মোক্ত প্রবন্ধটি লেখা হয়েছে যেন, বাংলাভাষী মুসলমানগণ হাদীসের মর্যাদা সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করে তার হেফাজতের জন্য সর্ব শক্তি নিয়োগ করে এবং বাতিলের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সজাগ থাকে। আল্লাহ তায়ালা মুসলমানদেরকে তাওফীক দান করুন।
প্রবন্ধটি লিখেছেন বিশিষ্ট কলামিস্ট, দাঈ, ও গবেষক শাইখ আব্দুল্লাহ আল কাফী। আল্লাহ তায়ালা তাকে উত্তম প্রতিদানে ভূষিত করুন। আমীন। -সম্পাদক

বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০১৩

ইসলামে সুন্নাহ’র অবস্থান

ইসলামে সুন্নাহ’র অবস্থান




بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله رب العالمين, و الصلاة و السلام على نبينا محمد خاتم النبين, القائل: « ألا و إني أتيت القرآن و مثله معه » ( أخرجه احمد في مسنده)                                                                                                                   
(সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য; আর সালাত ও সালাম আমাদের নবী সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর, যিনি বলেছেন: 
“জেনে রাখ, নিশ্চয়ই আমাকে আল-কুরআন দেয়া হয়েছে এবং তার সাথে তারই সদৃশ বিষয় তথা সুন্নাহ দেয়া হয়েছে।”[1])

বুধবার, ১৫ মে, ২০১৩

একগুচ্ছ মনি-মুক্তা



একগুচ্ছ মনি-মুক্তা

সুপ্রিয় বন্ধু, মনি-মুক্তা, হিরা-জহরত, ডাইমন্ড ইত্যাদি পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান বস্তু। কিন্তু আমাদের প্রিয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতিটি হাদীস এসব থেকেও মহামূল্যবান। এখানে হাদীসের রত্ন ভান্ডার থেকে একগুচ্ছে মনি-মুক্তা আপনাদেরকে উপহার প্রদান করা হল। হাদীসগুলোর ভাষা খুব সংক্ষিপ্ত ও সহজ-সরল কিন্ত অর্থ অত্যন্ত ব্যাপক ও সুদূর প্রসারী । এগুলো ব্যক্তি ও সমাজ জীবনের জন্য খুবই উপকারী। প্রতিটি কথাই মুখস্ত রাখার মত। প্রতিটি বাক্যই সোনার হরফে লিখে রাখার মত। তবে আসুন, হাদীসগুলো পড়ি। সেই সাথে সেগুলো বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করি। আল্লাহ আমাদেরকে সব সময় ইসলামের আলোকিত সরল পথে চলার তাওফীক দান করুন। আমীন।

সোমবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৩

আন্‌-নওয়াবীর চল্লিশ হাদীস

আন্‌-নওয়াবীর চল্লিশ হাদীস



আন্‌-নওয়াবীর চল্লিশ হাদীস

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম


الحديث الأول
"إنما الأعمال بالنيات"

عَنْ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ أَبِي حَفْصٍ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم يَقُولُ:
إنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ، وَإِنَّمَا لِكُلِّ امْرِئٍ مَا نَوَى، فَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ إلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ فَهِجْرَتُهُ إلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ، وَمَنْ كَانَتْ هِجْرَتُهُ لِدُنْيَا يُصِيبُهَا أَوْ امْرَأَةٍ يَنْكِحُهَا فَهِجْرَتُهُ إلَى مَا هَاجَرَ إلَيْهِ" .
رَوَاهُ إِمَامَا الْمُحَدِّثِينَ أَبُو عَبْدِ اللهِ مُحَمَّدُ بنُ إِسْمَاعِيل بن إِبْرَاهِيم بن الْمُغِيرَة بن بَرْدِزبَه الْبُخَارِيُّ الْجُعْفِيُّ [رقم:1 ]، وَأَبُو الْحُسَيْنِ مُسْلِمٌ بنُ الْحَجَّاج بن مُسْلِم الْقُشَيْرِيُّ النَّيْسَابُورِيُّ [رقم: 1907  ] رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا فِي "صَحِيحَيْهِمَا" اللذِينِ هُمَا أَصَحُّ الْكُتُبِ الْمُصَنَّفَةِ.

হাদীস - ১

আমীরুল মুমিনীন আবু হাফস্ উমার ইবন আল-খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত হয়েছেতিনি বলেছেন—
আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি—
“সমস্ত কাজের ফলাফল নির্ভর করে নিয়্যতের উপরআর প্রত্যেক ব্যক্তি যা নিয়্যত করেছেতাই পাবে। সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের জন্য হিজরত করেছেতার হিজরত আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের দিকে হয়েছেআর যার হিজরত দুনিয়া (পার্থিব বস্তু) আহরণ করার জন্য অথবা মহিলাকে বিয়ে করার জন্য তার হিজরত সে জন্য বিবেচিত হবে যে জন্য সে হিজরত করেছে।”

[সহীহ্ আল-বুখারী: ১সহীহ্ মুসলিম: ১৯০৭। মুহাদ্দিসগণের দুই ইমাম আবু আব্দুল্লাহ্ মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল ইবন ইব্রাহীম ইবন মুগীরা ইবন বারদেযবাহ্ আল-বুখারী এবং আবুল হাসান মুসলিম ইবন হাজ্জাজ ইবন মুসলিম আল-কুশায়রী আন্-নিশাপুরী আপন আপন সহীহ্ গ্রন্থে উল্লেখিত হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। যা সবচেয়ে সহীহ্ গ্রন্থদ্বয় বলে বিবেচিত হয়।]
الحديث الثاني
"مجيء جبريل ليعلم المسلمين أمر دينهم"