নামায শিক্ষা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
নামায শিক্ষা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৩

সফরে থাকা অবস্থায় নামাযের নিয়ম

সফরে থাকা অবস্থায় নামাযের নিয়ম

 


প্রশ্নঃ সফরে থাকা অবস্থায় নামাযের নিয়ম কি? 

উত্তরঃ সফরের সময় ৪ রাকাত ফরয (যোহর+আসর+ইশা) নামায ২ রাকাত পড়তে হয়, কিন্তু ২/৩ রাকাত ফরয নামায ২/৩ রাকাতই পড়তে হয়। একে নামায “কসর” বা সংক্ষিপ্ত করা বলা হয়। 

আর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) সফরে থাকা অবস্থায় ৫ ওয়াক্তের সাথে সংশ্লিষ্ট সুন্নত নামাযগুলো পড়তেন না, ফযরের ২ রাকাত সুন্নত আর বিতির নামায ছাড়া। তাই আমাদেরও উচিত হবেনা, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) যা করেন নি সেটা করা। 

আর সফরে থাকা অবস্থায় তাড়া থাকলে বা অসুবিধা থাকলে যোহর+আসর এই দুই ওয়াক্তের নামায যে কোনো এক ওয়াক্তে এক সাথে পড়া যায়। অর্থাৎ যুহরের ওয়াক্ত হলে যুহর পড়ে আসর নামাযকে এগিয়ে নিয়ে এসে যুহর ও আসর এক সাথে পড়া যায় অথবা, আসরের ওয়াক্তে যুহরকে পিছিয়ে দিয়ে যুহর ও আসর একসাথে পড়া যায়। অনুরূপ করা যায়, মাগরিব ও ইশা এই দুই ওয়াক্তের নামায যে কোনো এক ওয়াক্তে একসাথে পড়া যায়। একে নামায “জমা করা” বলে। 

উল্লেখ্য, নামায এক সাথে পড়ার যে নিয়ম বর্ণনা করা হলো এর বাইরে করা যাবেনা, যেমন ফযর+যোহর অথবা আসর+মাগরিব এক সাথে করা যাবেনা। 

এছাড়া কেউ ইচ্ছা করলে নফল নামায পড়তে পারবেন, তবে সুন্নত নামাযের নিয়তে না। বা এটা মনে করা যাবেনা যে নামায কম পড়ছি বাঁ সুন্নত নামায পড়ছিনা তাই নফল পড়ে পূরণ করে দেই। কারণ, এই নামাযের নিয়ম আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ উপহার, তাই বাড়িতে থাকতে যে যত রাকাত নামায পড়ে অভ্যস্ত আল্লাহ তার সমপরিমান নামাযের সওয়াবই দিবেন - সুবহা'নাল্লাহ! 

দলীল জানতে চাইলে দেখুনঃ সুরা নিসাঃ ১০১, বুখারী ও মুসলিম - মিশকাতঃ ১৩৩৬।

সহীহ আল-বুখারীর সালাত অধ্যায়ের নামায সংক্ষিপ্ত করার অনুচ্ছেদ দেখুন, সবগুলো হাদীস পেয়ে যাবেন। 

বৃহস্পতিবার, ৯ জুন, ২০১৬

বইঃ স্বালাতে মুবাশ্‌শির - ফ্রি ডাউনলোড

বইঃ স্বালাতে মুবাশ্‌শির - ফ্রি ডাউনলোড



বইঃ স্বালাতে মুবাশ্‌শির - ফ্রি ডাউনলোড

বই: স্বালাতে মুবাশ্‌শির 
লেখক: শায়খ আব্দুল হামীদ আল ফাইযী আল-মাদানী
লিসান্স: মদীনা বিশ্ববিদ্যালয়, সৌদিআরব
(সৌদী আরবের আল-মাজমাআ অঞ্চলের দাওয়াত সেন্টারে কর্মরত দাওয়াত-কর্মী এবং বাংলা ভাষার প্রসিদ্ধ লেখক ও অনুবাদক।)

সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: আলোচ্য গ্রন্থে লেখক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নামাজের পদ্ধতি ও নামাযের কিছু বিধি-বিধান আলোচনা করেছেন।

বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৪

চেয়ারে বসে সালাত আদায়: বিধি-বিধান, সতর্কীকরণ ও মাসলা-মাসায়েল

চেয়ারে বসে সালাত আদায়: বিধি-বিধান, সতর্কীকরণ ও মাসলা-মাসায়েল



চেয়ারে বসে সালাত আদায়: বিধি-বিধান, সতর্কীকরণ ও মাসলা-মাসায়েল

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহূ
বসে সালাত করতে গিয়ে অনেকেই ভুল করে থাকে। কারণ অনেকেই এর বিবিধ অবস্থা ও চেয়ারে বসে সালাত আদায়ের পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত নয়। তাই নিম্নে তার কিছু বর্ণনা দেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৪

নামায শিক্ষা

নামায শিক্ষা



بسم الله الرحمن الرحيم

অনুবাদকের ভূমিকা
সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। দরুদ ও সালাম তাঁর বান্দা ও রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি, যিনি সমগ্র বিশ্বমানবতার নবী, নবীকূলের শিরোমনি সৃষ্টিকুলের রহমত ও কল্যাণের প্রতীক। আমি শায়খ ডঃ আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ আলী আযযাইদের সালাত বিষয়ক গ্রন্থ "তালীমুস সালাহ" পাঠান্তে উপলব্ধি করি যে, এটির বঙ্গানুবাদ সর্বসাধারণের জন্য খুবই উপকারী হবে। কেননা বইটিতে নামায বিষয়ক বিধি-বিধান সহজ ও সাবলীল ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে। আমার সুহৃদ সাথি সাঈদুর রহমান মোল্লার সৎ পরামর্শে, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও সমাজের উপকারের আশায় অনুবাদের কাজ আরম্ভ করি। বইটিকে পরিমার্জি করতে সাইফুল্লাহ ভাই, শফীউল আলম ভাই, মৌলানা আব্দুর রাউফ শামীম ও মৌলানা আমীর আলী প্রমুখ সম্পাদনার কাজে সহযোগিতা করেছেন। যাঁরা আমাকে এ কাজে উৎসাহ দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন, আল্লাহর কাছে তাদের মঙ্গল কামনা করছি। অনুবাদে লেখকের মূল বক্তব্য যথার্থভাবে প্রকাশের চেষ্টা করেছি। আমি আশা করি এই অনুবাদ বাংলা ভাষা-ভাষীদের নিকট সমাদৃত হবে ইনশা আল্লাহ। আল্লাহ আমাদের সকলকে এই পুস্তক থেকে উপকৃত হবার তাওফীক দিন। আমীন!

অনুবাদক

শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

সালাত ও পবিত্রতা সম্পর্কে কয়েকটি বিশেষ প্রবন্ধ

وجوب أداء الصلاة في الجماعة
জামা‘আতে সালাত আদায় করার অপরিহার্যতা
শায়খ আব্দুল আযীয ইবন বায
মুসলিম পাঠকবৃন্দের প্রতি আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বাযের একটি বিশেষ আহবান। আল্লাহ তাআলা  তাঁর সন্তুষ্টির কাজে তাদের তাওফীক দান করুন এবং আমাকেও তাদের সেই সমস্ত লোকের অন্তর্ভুক্ত করুন যারা তাঁকে ভয় করে তার নির্দেশ মেনে চলে। আমীন!

বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) - ২য় পর্ব

ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) - ২য় পর্ব

১ম পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন।

ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) - ২য় পর্ব
সংকলন: ডঃ মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব 


বিভিন্ন ছালাতের পরিচয়

১. বিতর ছালাত (صلاة الوتر)

বিতর ছালাত সুন্নাতে মুওয়াক্কাদাহ।[1] যা এশার ফরয ছালাতের পর হ’তে ফজর পর্যন্ত সুন্নাত ও নফল ছালাত সমূহের শেষে আদায় করতে হয়।[2] বিতর ছালাত খুবই ফযীলতপূর্ণ। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বাড়ীতে বা সফরে কোন অবস্থায় বিতর ও ফজরের দু’রাক‘আত সুন্নাত পরিত্যাগ করতেন না।[3]

শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) - ১ম পর্ব

ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) - ১ম পর্ব

ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) - ১ম পর্ব
সংকলন: ডঃ মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব 


بسم الله الرحمن الرحيم
إِنَّ الْحَمْدَ ِللهِ نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِيْنُهُ مَنْ يَهْدِهِ اللهُ فَلاَ مُضِلَّ لَهُ وَمَنْ يُضْلِلْ فَلاَ هَادِىَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنْ لآ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ، أَمَّا بَعْدُ:*

আল্লাহ বলেন,
وَأَقِمِ الصَّلاَةَ لِذِكْرِىْ
‘আর তুমি ছালাত কায়েম কর আমাকে স্মরণ করার জন্য’ (ত্বোয়া-হা ২০/১৪)।

শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৩

সালাতে তাকবীরে তাহরীমা ছাড়া অন্যত্র হাত উত্তোলন প্রসঙ্গে একটি প্রশ্নের জবাব

সালাতে তাকবীরে তাহরীমা ছাড়া অন্যত্র হাত উত্তোলন প্রসঙ্গে একটি প্রশ্নের জবাব



সালাতে তাকবীরে তাহরীমা ছাড়া অন্যত্র হাত উত্তোলন প্রসঙ্গে একটি প্রশ্নের জবাব

 প্রশ্ন (১৭/২৫৭) : আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রাঃ) একদা বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) যেভাবে ছালাত আদায় করতেন আমি কি তোমাদের সেভাবে ছালাত আদায় করে দেখাব না? অতঃপর তিনি ছালাত আদায় করলেন। কিন্তু তাকবীরে তাহরীমা ব্যতীত অন্য কোন সময় দু’হাত উত্তোলন করলেন না’ (তিরমিযী ১/৩৫)। তিরমিযী হাদীছটিকে হাসান বলেছেন। আবার বারা ইবনে আযিব (রাঃ) বলেন, ‘নবী করীম (ছাঃ) তাকবীরে তাহরীমা ব্যতীত আর কখনো হাত উঠাতেন না’ (আবূদাঊদ ১/১০৯)। এক্ষণে ছালাতে রাফ‘ঊল ইয়াদায়েন করার প্রমাণে হাদীছদ্বয়ের বিপক্ষে যুক্তি কি?
-ছিয়াম বিন সাইফুদ্দীন মধুপুর, টাংগাঈল।

উত্তর : প্রশ্নে বর্ণিত হাদীছ দু’টি সহ ‘রাফ‘ঊল ইয়াদায়েন’ না করার পক্ষে যে সকল দলীল পেশ করা হয়, তার সবগুলিই যঈফ
 প্রশ্নে বর্ণিত ১ম হাদীছটি ইমাম আবুদাঊদ বর্ণনা করে বলেন, 
هَذَا مُخْتَصَرٌ مِنْ حَدِيثٍ طَوِيلٍ وَلَيْسَ هُوَ بِصَحِيحٍ عَلَى هَذَا اللَّفْظِ 
‘এটা লম্বা হাদীছের সংক্ষিপ্ত রূপ। আর এই শব্দে এটি ছহীহ নয়’ (আবুদাঊদ হা/৭৪৮)। 
উল্লেখ্য যে, উপমহাদেশের ছাপা আবুদাঊদে হাদীছের শেষে ইমাম আবুদাঊদের উক্ত মন্তব্যটি নেই। কিন্তু অন্যান্য ছাপা আবুদাঊদে তা রয়েছে। এদেশে ছাপা আবুদাঊদ থেকে উক্ত মন্তব্য তুলে দেওয়ার রহস্য অজ্ঞাত।

মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৩

বইঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাত সম্পাদনের পদ্ধতি - ফ্রি ডাউনলোড

বইঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাত সম্পাদনের পদ্ধতি - ফ্রি ডাউনলোড



মূলঃ শায়খ মুহাম্মদ নাছিরুদ্দীন আলবানী (রহ.) 

সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সালাত সম্পাদনের পদ্ধতি: সকল ইবাদত-বন্দেগীর রয়েছে নিয়ম-কানুন ও পদ্ধতি। যা আল্লাহ নিজে বর্ণনা করেছেন অথবা তার রাসূল দ্বারা বর্ণনা করিয়েছেন। এ পুস্তিকায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নামাজ পড়ার পদ্ধতি তুলে ধরা হয়েছে। যাতে সকল মুসলিম নর-নারী এ অনুযায়ী আমল করতে পারে। রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন : আমাকে যেভাবে নামাজ পড়তে দেখ তোমরা সেভাবে নামাজ আদায় কর। গ্রন্থটি সংকলন করেছেন শায়খ আলবানী।

তাওহীদ পাবলিকেশন্স
হাজী আব্দুল্লাহ সরকার লেন, বংশাল, ঢাকা।

শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৩

ফিরে যাও, পুনরায় সালাত আদায় কর

ফিরে যাও, পুনরায় সালাত আদায় কর



ফিরে যাও, পুনরায় সালাত আদায় কর

عَنْ أبِيْ هُرَيْرَةَ ুرَضِيَ اللهُ عَنْهُ- أنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ دَخَلَ المَسْجِدَ، فَدَخَلَ رَجُلٌ فَصَلَّى، ثُمَّ جَاءَ فَسَلَّمَ عَلَى النَّبِي صَلَّى اللهُ عَلّيْهِ وَسَلَّمَ، فَرَدَّ النَّبِيُّ صَلَى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ السَّلَامَ، فَقَالَ: (اِرْجِعْ فَصَلِّ فَإِنَّكَ لَمْ تُصَلِّ) فَصَلَّى، ثُمَّ جَاءَ فَسَلَّمَ عَلَى النَّبِيِّ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: (اِرْجِعْ فَصَلِّ فَإِنَّكَ لَمْ تُصَلِّ) ثَلَاثًا.
َقالَ: وَالَّذِيْ بَعثَكَ بِالَحقِّ مَا أحْسَنَ غَيْرُهُ، فَعَلِّمْنِيْ، قَالَ: ( إذَا أقَمْتَ الصَّلَاةَ فَكَبِّرْ، ثُمَّ اقْرَأْ مَا تَيَسَّرَ مَعَكَ مِنَ القُرْآنِ، ثُمَّ ارْكَعْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ رَاكِعًا، ثُمَّ ارْفَعْ حَتَّى تَعْتَدِلَ قَائِمًا، ثُمَّ اسْجُدْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ سَاجِدًا، ثُمَّ ارْفَعْ حَتَّى تَطْمَئِنَّ جَالِسًا، ثُمَّ اسْجُدْ
حَتَّى تَطْمَئِنَّ سَاجِدًا، ثُمَّ افْعَلْ ذَلِكَ فِيْ صَلَاتِكَ كُلِّهَا) متفق عليه.
আবু হুরাইরা রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে প্রবেশ করলেন। তখন এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করে সালাত আদায় করল। অত:পর রাসূলের নিকটে এসে তাকে সালাম করলে রাসূল তার সালামের উত্তর দিলেন এবং বললেন :
তুমি ফিরে যাও, এবং পুনরায় সালাত আদায় কর, কারণ, তোমার সালাত হয়নি। অত:পর লোকটি সালাত আদায় করল। সালাত শেষে রাসূলের কাছে এসে তাকে সালাম জানাল। রাসূল সা. এবারও বললেন, তুমি আবার ফিরে যাও, এবং সালাত আদায় কর, কারণ, তোমার সালাত হয়নি। এভাবে তিনি তিনবার বললেন।
লোকটি বলল, যে সত্তা আপনাকে সত্য দিয়ে প্রেরণ করেছেন, তার শপথ ! আমি এর চেয়ে উত্তমরূপে আদায় করতে সক্ষম নই। সুতরাং আপনি আমাকে শিখিয়ে দিন। তিনি এরশাদ করলেন, যখন তুমি সালাতে দণ্ডায়মান হবে, প্রথমে তাকবীর দেবে।
অত:পর কোরআন থেকে তোমার জন্য সহজ্তএমন কিছু পাঠ করবে। এরপর ধীরস্থিরভাবে রুকু করবে, এবং সোজা হয়ে দণ্ডায়মান হবে। তারপর সেজদারত হবে মগ্ন হয়ে, এবং সোজা হয়ে বসবে। পুনরায় সেজদায় গমন করবে, পূর্বের মত ধীরস্থিরভাবে। এভাবে তুমি তোমার সালাত সমাপ্ত করবে।[১]

শুক্রবার, ১ নভেম্বর, ২০১৩

কুরআন ও সুন্নাহ্‌র আলোকে রাতের সালাত

কুরআন ও সুন্নাহ্‌র আলোকে রাতের সালাত



কুরআন ও সুন্নাহ্‌র আলোকে রাতের সালাত

ভূমিকা
সকল প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার জন্য, আমরা তার প্রশংসা করি, তার নিকট সাহায্য চাই এবং তার নিকট ইস্তেগফার করি। আমরা আমাদের কু-প্রবৃত্তি ও বদ আমলের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর নিকট পানাহ চাই। তিনি যাকে হিদায়াত দান করেন তাকে কেউ গোমরাহ করতে পারে না, আর তিনি যাকে গোমরাহ করেন তাকে কেউ হিদায়াত দিতে পারে না। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, তিনি এক তার কোন শরীক নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও রাসূল। আল্লাহ তার ওপর, তার পরিবার ও সাহাবিদের ওপর এবং যারা ইহসানের সাথে তাদের অনুসরণ করবে, তাদের সবার ওপর কিয়ামত পর্যন্ত দরূদ ও সালাম বর্ষণ করুন।
অতঃপর, বক্ষ্যমাণ রচনা রাতের সালাত সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত এক প্রয়াস, যেখানে আমি তাহাজ্জুদের অর্থ, কিয়ামুল লাইল বা রাতের সালাতের ফযিলত, উত্তম সময়, রাকাত সংখ্যা, কিয়ামুল লাইলের আদব ও কিয়ামুল লাইল আদায়ে সাহায্যকারী কতক উপায় নিয়ে আলোচনা করেছি। এতে আরো বর্ণনা করেছি তারাবির অর্থ, হুকুম, ফযিলত, সময়, রাকাত সংখ্যা ও তাতে জামাতের বিধান। অতঃপর স্পষ্ট করেছি বেতের সালাতের অর্থ, হুকুম, ফযিলত, সময়, বেতের আদায়ের বিভিন্ন পদ্ধতি, রাকাত সংখ্যা, তাতে কিরাত ও কুনুতের বর্ণনা, বেতের শেষে সালামের পর দোয়া এবং বেতের রাতের সালাতের অন্তর্ভুক্ত, বরং বেতের রাতের সর্বশেষ সালাত ইত্যাদি বিষয়। যে বেতের না পড়ে ঘুমিয়ে গেল অথবা ভুলে গেল তার কাযা করার বিধানও বর্ণনা করেছি এখানে। প্রত্যেকটি মাসআলা আমি দলিলসহ বর্ণনা করেছি। এ গ্রন্থ লেখার সময় আমি আমাদের শায়খ আল্লামা ইব্‌ন বায রহ. এর বয়ান-বক্তৃতা থেকে অধিক উপকৃত হয়েছি। আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুন।
আল্লাহর নিকট বিনীত প্রার্থনা যে, তিনি আমার এ ক্ষুদ্র আমলকে গ্রহণযোগ্য, বরকতময় ও একমাত্র তার সন্তুষ্টির জন্য কবুল করুন। এর দ্বারা তিনি আমাকে ইহকাল ও পরকালে উপকৃত করুন, যারা এ গ্রন্থ পাঠ করবে তাদের সবাইকে তিনি উপকৃত করুন। তিনি প্রার্থনা কবুলকারী, আশা পূর্ণকারী, তিনি আমাদের জন্য যথেষ্ট ও আমাদের উত্তম অভিভাবক। তার সাহায্য ব্যতীত পাপ থেকে বিরত থাকা ও নেক আমল করার কোন শক্তি নেই। আল্লাহ তার বান্দা ও রাসূল মুহাম্মদের ওপর দরূদ, সালাম ও বরকত নাযিল করুন, যিনি সর্বশ্রেষ্ঠ মখলুক, আমাদের নবী, ইমাম ও আদর্শ মুহাম্মদ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ, আর তার বংশধর ও সাথীদের ওপর এবং যারা কিয়ামত পর্যন্ত সুন্দরভাবে তাদের অনুসরণ করবে তাদের সবার ওপর রহমত ও সালাম বর্ষণ করুন।
লেখক
শুক্রবার, সকাল বেলা
৯/১/১৪২১হি.

রবিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৩

নবী করীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নামায আদায়ের পদ্ধতি

নবী করীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নামায আদায়ের পদ্ধতি



নবী করীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নামায আদায়ের পদ্ধতি

মূল আরবীঃ মহামান্য শায়খ আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায (রাহেমাহুল্লাহ) 
সাবেক প্রধান, ইসলামী গবেষণা,ইফ্‌তা, দাওয়াত ও এরশাদ বিভাগ, রিয়াদ
অনুবাদক : আব্দুন্‌ নূর বিন আব্দুল জব্বার
সম্পাদনা : যাকের হুসাইন বিন ওরাসাতুল্লাহ
সূত্র : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ - ইসলামী গ্রন্থাগার : http://www.islamicbook.ws

(لسماحة الشيخ : عبد العزيز بن عبد الله بن باز (رحمه الله
ترجمه : عبد النور بن عبد الجبار
راجعه: ذاكر حسين

الحمد لله وحده والصلاة والسلام على عبده ورسوله محمد وآله وصحبه ،،،
যাবতীয় প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য এবং দরূদ ও ছালাম বর্ষিত হোক তাঁর বান্দাহ ও তাঁর রাসূল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম , তাঁর পরিবার-পরিজন এবং সাহাবাগণের প্রতি।
আমি প্রত্যেক মুসলমান নারী ও পুরুষের উদ্দেশ্যে নবী করীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নামায আদায়ের পদ্ধতি সম্পর্কে সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণনা করতে ইচ্ছা করছি। এর উদ্দেশ্য হলো যে, যাঁরা পুস্তিকাটি পাঠ করবেন তাঁরা যেন প্রত্যেকেই নামায পড়ার বিষয়ে নবী করীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসরণ করতে পারেন। এ সম্পর্কে নবী করীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন :
( صَلُّوْا كَمَا رَأَيْتُمُوْنِيْ أُصَلِّيْ ) رواه البخاري
অর্থঃ "তোমরা সেভাবে নামায আদায় কর, যে ভাবে আমাকে নামায আদায় করতে দেখ।" বুখারী

* পাঠকের উদ্দেশ্যে (নিম্নে) তা বর্ণনা করা হলো :-

শনিবার, ২৭ জুলাই, ২০১৩

বইঃ তারাবীহ ও ই’তিকাফ - ফ্রি ডাউনলোড

বইঃ তারাবীহ ও ই’তিকাফ - ফ্রি ডাউনলোড


শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু


বইটির সংক্ষিপ্ত পরিচয়:
মূল লেখক: আল্লামা মুহাম্মাদ নাছিরুদ্দীন আলবানী (রহ:)
অনুবাদক: নূরুল ইসলাম
প্রকাশনায়: শ্যামলবাংলা একাডেমী, রাজশাহী
প্রকাশকাল: জুন ২০১৩
পুষ্ঠা সংখ্যা: ৪১

বুধবার, ২৪ জুলাই, ২০১৩

বইঃ রাসূল (সা)-এর নামায (ফ্রি ডাউনলোড)

বইঃ রাসূল (সা)-এর নামায (ফ্রি ডাউনলোড)


শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু


বইঃ রাসূল (সা)-এর নামায
মূলঃ আল্লামা মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহ.)

সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: রাসূল (সা)-এর নামায: সকল ইবাদত-বন্দেগীর রয়েছে নিয়ম-কানুন ও পদ্ধতি। যা আল্লাহ নিজে বর্ণনা করেছেন অথবা তার রাসূল দ্বারা বর্ণনা করিয়েছেন। এ পুস্তিকায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নামাজ পড়ার পদ্ধতি তুলে ধরা হয়েছে। যাতে সকল মুসলিম নর-নারী এ অনুযায়ী আমল করতে পারে। রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন : আমাকে যেভাবে নামাজ পড়তে দেখ তোমরা সেভাবে নামাজ আদায় কর। গ্রন্থটি সংকলন করেছেন শায়খ আলবানী।

বইঃ ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) - ফ্রি ডাউনলোড

বইঃ ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) - ফ্রি ডাউনলোড


শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু
বইঃ ছালাতুর রাসূল (ছাঃ) 
লেখকঃ ডঃ মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব

বইঃ সালাতুত তারাবীহ - ফ্রি ডাউনলোড

বইঃ সালাতুত তারাবীহ - ফ্রি ডাউনলোড


শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু


বইঃ সালাতুত তারাবীহ
মূলঃ শাইখ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহ.)
অনুবাদঃ আহসানুল্লাহ বিন সানাউল্লাহ
প্রকাশনায়ঃ তাওহীদ পাবলিকেশন্স
হাজী আব্দুল্লাহ সরকার লেন, বংশাল, ঢাকা।

সোমবার, ২৭ মে, ২০১৩

সালাত আদায়ের পদ্ধতি


নিশ্চয় সকল প্রশংসার মালিক আল্লাহ তাআলাআমরা তার প্রশংসা করিতার নিকট সাহায্য চাইতার নিকট ইস্তেগফার করি। আমরা আমাদের প্রবৃত্তির অনিষ্ট ও কুকর্মের বদ আছর থেকে তার নিকট চাই। তিনি যাকে হিদায়াত করেনতাকে কেউ গোমরাহ করতে পারে নাআর যাকে তিনি গোমরাহ করেনতাকে কেউ সুপথ দেখাতে পারে না। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যেআল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেইতিনি এক-তার কোন শরীক নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যেমুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও রাসূল। আল্লাহ তার উপর এবং তার বংশধর ও সাহাবাদের উপর এবং কিয়ামত পর্যন্ত যারা তাদের সুন্দরভাবে অনুসরণ করবেতাদের সকলের উপর অসংখ্য-অগনন দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন।
অতঃপর: সিফাতুস সালাত’ তথা সালাতের নিয়ম-পদ্ধতি সংক্রান্ত এটা একটা ছোট পুস্তিকাএতে আমি তাকবির থেকে আরম্ভ করে সালাম পর্যন্ত কুরআন ও হাদিসের দৃষ্টিকোন থেকে সালাতের নিয়ম-পদ্ধতি বর্ণনা করেছি। এ পুস্তিকা লেখার ক্ষেত্রে আমি আমাদের শায়খ আল্লামা আব্দুল আজিজ ইব্‌ন আব্দুল্লাহ ইব্‌ন বাজ এর দরস ও তাকরির থেকে অনেক উপকৃত হয়েছি। আল্লাহ তাকে জান্নাতে সুউচ্চ স্থান দান করুন।
দোয়া করছি আল্লাহ আমাদের এ ক্ষুদ্র আমলকে বরকতময় করুন এবং একে একমাত্র তার সন্তুষ্টির জন্য কবুল করুন। এর দ্বারা আমাকে উপকৃত করুন জীবনে ও মরণে এবং প্রত্যেক পাঠককে। তিনি দোয়া কবুলকারী ও মনোবাঞ্চনা পূর্ণকারী।

লেখক
শুক্রবারের প্রথম প্রহর
১৮/০৮/১৪২০হি.

মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ, ২০১৩

সালাতের আহকাম ও পদ্ধতি

সালাতের আহকাম ও পদ্ধতি 




সালাতের আহকাম ও পদ্ধতি


সালাতের শর্তাবলি:

সালাতের শর্ত নয়টি।

এক : মুসলমান হওয়া :
সালাত ছাড়াও অন্যান্য যে কোন ইবাদতের ক্ষেত্রেই মুসলমান হওয়া পূর্বশর্ত। মুসলমান বলতে উদ্দেশ্য হল, যে ব্যক্তি আল্লাহকে রব হিসেবে বিশ্বাস করে এবং মুহাম্মদ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -কে রাসূল বলে স্বীকৃতি প্রদান, আর ইসলামকে একমাত্র দ্বীন বলে মনে-প্রাণে গ্রহণ করে। অবিশ্বাসীর যাবতীয় ইবাদত প্রত্যাখ্যাত । অবিশ্বাসীদের কোন ইবাদতই আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য নয়, যদিও তারা জমিনভর স্বর্ণ কল্যাণকর কাজে ব্যয় করে। আল্লাহ তাআলা বলেন :
وَقَدِمْنَا إِلَى مَا عَمِلُوا مِنْ عَمَلٍ فَجَعَلْنَاهُ هَبَاءً مَنْثُورًا .الفرقان :23
আমি তাদের কৃতকর্মগুলো বিবেচনা করব, অতঃপর সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধুলি-কণায় পরিণত করব। (সূরা আল-ফুরকান : ২৩)

দুই : বুঝার বয়সে উপনীত হওয়া:
বুঝার মত বয়সে উপনীত হওয়া হল শরীয়তের বিধানাবলী উপলব্ধি ও গ্রহণ করার একমাত্র উপায়। জ্ঞানহীন ব্যক্তির উপর শরীয়তের কোন বিধানই ওয়াজিব নয়। প্রমাণ :রাসূল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন :
رفع القلم عن ثلاثة: النائم حتى يستيقظ والمجنون حتى يفيق والصغيرحتى يكبر. رواه الترمذى:1343
তিন ব্যক্তি দায়মুক্ত, তাদের কোন গুনাহ লিখা হয় না। ক-ঘুমন্ত ব্যক্তি ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া পর্যন্ত। খ-পাগল সুস্থ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত।গ-ছোট বাচ্চা বড় হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত। (তিরমিযি:১৩৪৩)

তিন : ভাল মন্দের বিচার করা :
ভাল মন্দ বিচারের উপযুক্ত বয়সে উপনীত হওয়া। অবুঝ বা ছোট শিশু, যে নিজের জন্য কোন রূপ ভাল মন্দ চিণ্হিত করতে সক্ষম নয়, তার উপর সালাত ওয়াজিব নয়। শিশু যখন ভাল মন্দের পার্থক্য করতে পারে এবং সুন্দর ও অসুন্দর চিনতে পারে, তখন বুঝতে হবে যে, সে বিচার বিশ্লে­ষণ বা তাময়ীয করার মত বয়সে পৌঁছে গেছে। সাধারণত সাত বছর বয়সে বাচ্চারা ভাল-মন্দ বুঝতে পারে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন :
مروا أبناءكم  بالصلاة  لسبع  واضربوهم عليها لعشر وفرقوا بينهم في المضاجع . رواه أحمد:6467
তোমর সাত বছর বয়সে তোমাদের বাচ্চাদের সালাতের আদেশ দাও। আর সালাত না পড়লে দশ বছর বয়সে তাদের হালকা মার-ধর কর। আর তাদের বিছানা আলাদা করে দাও। (আহমাদ:৬৪৬৭)