বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৫

নারী-পুরুষে দেখাদেখি, নির্জনে অবস্থান ও সহাবস্থান সংক্রান্ত বিবিধ ফাতওয়া (১ম পর্ব)

 নারী-পুরুষে দেখাদেখি, নির্জনে অবস্থান ও সহাবস্থান সংক্রান্ত বিবিধ ফাতওয়া (১ম পর্ব)



১ম পর্ব | ২য় পর্ব

সূচিপত্র
ক্রম   বিষয়
1.     ভূমিকা
2.     শিক্ষার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষে সহাবস্থানের বিধান
3.     স্কুল, মাদরাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে ছেলে-মেয়ের মাঝে মেলামেশার ভয়াবহ ঝুঁকি
4.     নারী-পুরুষ সম্মিলিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লেখাপড়ার বিধান
5.     নারী ও পুরুষে সহশিক্ষার ক্ষেত্রে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

নারী-পুরুষে দেখাদেখি, নির্জনে অবস্থান ও সহাবস্থান সংক্রান্ত বিবিধ ফাতওয়া (২য় পর্ব)

 নারী-পুরুষে দেখাদেখি, নির্জনে অবস্থান ও সহাবস্থান সংক্রান্ত বিবিধ ফাতওয়া (২য় পর্ব)



১ম পর্ব | ২য় পর্ব

শিল্প-কারখানা ও অফিস-আদালতে নারী-পুরুষে সহাবস্থানের বিধান

প্রশ্ন: শিল্প-কারখানায় অথবা অনিসলামিক অফিসসমূহে পুরুষদের মতো করে নারীদের কাজকারবার ও লেনদেনের বিধান কী? আর ঐ জীবনের বিধান কী হবে, যে ভয়াবহ রোগের কারণে ধ্বংসের মুখোমুখি হয়েছে, উল্লিখিত এ পরিস্থিতিতে সে রোগের চিকিৎসার বিষয়টি মুসলিম নারীকে বেপর্দা করার দিকে নিয়ে যায়, যদিও ইসলামী তথা মুসলিম দেশসমূহের ডাক্তারগণ সবই পুরুষ? 

শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৫

বিবাহের অভিভাবক ও শর্তাবলী, অভিভাবকের বাধা ও করণীয়

বিবাহের অভিভাবক ও শর্তাবলী, অভিভাবকের বাধা ও করণীয়



বিবাহের অভিভাবক ও শর্তাবলী, অভিভাবকের বাধা ও করণীয়

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “অভিভাবক ব্যতীত কোন বিবাহ নেই।” (তিরমিযী) তিনি আরো বলেন, “যে নারী নিজে নিজের বিবাহ সম্পন্ন করবে তার বিবাহ বাতিল বাতিল বাতিল। অভিভাবকরা যদি ঐ নারীর বিবাহে বাধা সৃষ্টি করে, তবে যার ওলী নেই সুলতান বা শাসক তার ওলী বা অভিভাবক হবে।” (আহমাদ, তিরমিযী, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)
তাই যে কোন নারীর বিবাহের জন্য ওলী বা অভিভাবক আবশ্যক। অভিভাবক উপযুক্ত হওয়ার জন্য ৬টি শর্ত আছেঃ

শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০১৫

কুরবানী সংক্রান্ত কতিপয় ভুল-ত্রুটি

কুরবানী সংক্রান্ত কতিপয় ভুল-ত্রুটি



কুরবানী সংক্রান্ত কতিপয় ভুল-ত্রুটি

আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন, ওয়াস্ সালাতু ওয়াস্ সালামু আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বাদঃ
অতঃপর এই সংক্ষিপ্ত লেখায় আমরা কুরবানী সংক্রান্ত কতিপয় ভুল-ত্রুটি আলোকপাত করার ইচ্ছা করেছি, যেন এই ইবাদতটি আমরা সঠিক ভাবে সম্পাদন করতে পারি এবং ভুল-ত্রুটি থেকে দূরে থেকে পূর্ণ সওয়াবের অধিকারী হতে পারি। ওয়ামা তাওফীকী ইল্লা বিল্লাহ।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

যে সকল হারামকে মানুষ তুচ্ছ মনে করে থাকে (১ম পর্ব)

সূচিপত্র
ক্রম   বিষয়
1.     ভূমিকা
2.     শির্ক
3.     কবরপূজা
4.     গায়রুল্লাহর নামে যবেহ করা
5.     হালালকে হারাম ও হারামকে হালাল মনে করা

যে সকল হারামকে মানুষ তুচ্ছ মনে করে থাকে (২য় পর্ব)

৩১. সুদ খাওয়া
আল্লাহ তা‘আলা সূদখোর ব্যতীত আর কারো বিরুদ্ধে স্বয়ং যুদ্ধের ঘোষণা দেননি। তিনি বলেন,
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ ٱتَّقُواْ ٱللَّهَ وَذَرُواْ مَا بَقِيَ مِنَ ٱلرِّبَوٰٓاْ إِن كُنتُم مُّؤۡمِنِينَ ٢٧٨ فَإِن لَّمۡ تَفۡعَلُواْ فَأۡذَنُواْ بِحَرۡبٖ مِّنَ ٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦۖ وَإِن تُبۡتُمۡ فَلَكُمۡ رُءُوسُ أَمۡوَٰلِكُمۡ لَا تَظۡلِمُونَ وَلَا تُظۡلَمُونَ ٢٧٩﴾ [البقرة: ٢٧٨،  ٢٧٩] 
“হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা আল্লাহর তাকাওয়া অবলম্বন কর এবং সুদের যা অবশিষ্ট আছে, তা পরিত্যাগ কর যদি তোমরা ঈমানদার হও। আর যদি তোমরা তা না কর, তাহলে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা শোন” [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২৭৮-২৭৯]

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

জুমু‘আ: ফযীলত ও বিধি-বিধান



 সূচিপত্র
 
ক্রম   বিষয়
1.     ভূমিকা
2.     জুমু‘আর দিনের বিশেষ বিশেষ বৈশিষ্ট্য
3.     জুমু‘আর দিনের বিধি-বিধান
4.     জুমু‘আর দিনের ওয়াজিব বা ফরযসমূহ
5.     জুমু‘আর দিনের মুস্তাহাব আমলসমূহ
6.     জুমু‘আর দিনের নিষিদ্ধ কার্যাদি
7.     জুমু‘আর সালাত সম্পর্কে বিভিন্ন আহকাম

রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০১৫

মুমিন নারীদের বিশেষ বিধান (১ম পর্ব)

সূচীপত্র

১ ভূমিকা
২ প্রথম পরিচ্ছেদ: সাধারণ বিধান
৩ ইসলাম পূর্ব নারীর মর্যাদা
৪ ইসলামে নারীর মর্যাদা
৫ ইসলামের শত্রু ও তার দোসররা নারীর ইজ্জত হরণ করে কী চায়?
৬ কতিপয় শর্ত সাপেক্ষে ঘরের বাইরে নারীর কাজ করা বৈধ

বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০১৫

মুমিন নারীদের বিশেষ বিধান (২য় পর্ব)

পঞ্চম পরিচ্ছেদ
নারীদের সালাত সংক্রান্ত বিশেষ হুকুম

হে মুসলিম নারী, সালাতের সকল শর্ত, রুকন ও ওয়াজিবসহ উত্তম সময়ে সালাত আদায় কর। আল্লাহ তা‘আলা মুমিনদের মায়েদের উদ্দেশ্যে বলেন:
﴿وَأَقِمۡنَ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتِينَ ٱلزَّكَوٰةَ وَأَطِعۡنَ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُ﴾ [الاحزاب: ٣٣] 
“আর তোমরা সালাত কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং আল্লাহ ও তার রাসূলের আনুগত্য কর”। [সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৩৩]      
এ নির্দেশ সকল মুসলিম নারীর জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। কারণ, সালাত ইসলামের দ্বিতীয় রুকন, ইসলামের প্রধান স্তম্ব। সালাত ত্যাগ করা কুফরী, যা মানুষকে ইসলাম থেকে বের করে দেয়। যার সালাত নেই সে নারী হোক বা পুরুষ হোক দীন ও ইসলামে তার কোনো অংশ নেই। শর‘ঈ কারণ ব্যতীত সালাত বিলম্ব করা সালাত বিনষ্ট করার শামিল।

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০১৫

কবরের শাস্তি ও শান্তি সম্পর্কে কতিপয় মাসআলা: বারযাখী জীবন

কবরের শাস্তি ও শান্তি সম্পর্কে কতিপয় মাসআলা: বারযাখী জীবন



কবরের শাস্তি ও শান্তি সম্পর্কে কতিপয় মাসআলা: বারযাখী জীবন

সূচিপত্র
   
ক্রম       বিষয়

1.    অনুবাদকের কথা
2.    বারযাখী জীবন
3.    আকাশ ও জমিনে মুমিন আত্মার বিচরণ
4.    আকাশ ও জমিনে খারাপ আত্মার ভ্রমণ
5.    কবরের শাস্তি ও শান্তি
6.    কবরের শাস্তি ও শান্তি ---মতামত

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০১৫

জান্নাতের পথে বাধা সৃষ্টি করে যে সব কাজ

জান্নাতের পথে বাধা সৃষ্টি করে যে সব কাজ



জান্নাতের পথে বাধা সৃষ্টি করে যে সব কাজ

১. ঈমান না আনা 
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
لا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ إِلا مُؤْمِنٌ
“ঈমানদার ব্যতীত কেউ জান্নাতে প্রবেশ করবে না।” (বুখারী ও মুসলিম)

সোমবার, ২০ জুলাই, ২০১৫

তওবা: জান্নাতের সোপান

তওবা: জান্নাতের সোপান



তওবা: জান্নাতের সোপান

ভূমিকা: কোন মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। তবে সে ব্যক্তিই উত্তম যে ভুল করার পর তওবা করে। আমাদের সবারই ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়েছে। কখনও মুখ ফসকে মুখের দ্বারা গুনাহ হয়েছে। অসাক্ষাতে কারও সমালোচনা করেছি, কাউকে গালি দিয়েছি, কখনো অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদের প্রতি হাত বাড়িয়েছি, কখনও এমন জিনিসের দিকে তাকিয়েছি যাতে আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন। এভাবে কত ধরণের গুনাহর কাজ আমরা করেছি! এজন্যই দয়াময় আল্লাহ তায়ালা বান্দাদের উপর তওবা করা অপরিহার্য করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন,
وَتُوبُوا إِلَى اللَّهِ جَمِيعاً أَيُّهَا الْمُؤْمِنُونَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ
“হে মুমিনগণ, তোমরা সকলে আল্লাহর নিকট তওবা কর। যাতে তোমরা সফলতা লাভ করতে পার।”[1]

রবিবার, ২১ জুন, ২০১৫

রোযাবস্থায় বীর্যপাত এবং স্বপ্নদোষের বিধান

রোযাবস্থায় বীর্যপাত এবং স্বপ্নদোষের বিধান



রোযাবস্থায় বীর্যপাত এবং স্বপ্নদোষের বিধান

আলহামদুলিল্লাহ্ ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা রাসূলিল্লাহ, আম্মাবাদঃ
রামাযান মাসে সাউম পালনকারী ভাইদের পক্ষ থেকে উপরোক্ত বিষয়ে প্রায় প্রায় প্রশ্ন করা হয়। এ সম্পর্কে শরীয়ার সঠিক বিধান না জানা থাকার কারণে অনেকে অনেক রকমের ধারণা করে। কেউ মনে করে তার রোযা নষ্ট হয়ে গেছে, কেউ বলে রোযা মাকরূহ হয়ে গেছে, কেউ ভাবে তার দ্বারা গুনাহ হয়ে গেছে আর কেউ সংশয়ে থাকে। তাই সংক্ষিপ্তাকারে বিষয়টির শারঈ সমাধান উল্লেখ করার নিয়ত করেছি। আল্লাহই তাওফীকদাতা।

শুক্রবার, ১২ জুন, ২০১৫

সহীহ হাদীসের আলোকে সাওম বিশ্বকোষ (৩য় পর্ব)

সহীহ হাদীসের আলোকে সাওম বিশ্বকোষ (৩য় পর্ব)



১ম পর্ব | ২য় পর্ব | ৩য় পর্ব


তৃতীয় অধ্যায় 
সালাতুত তারাবীহ

রমযানে ঈমান ও সাওয়াবের আশায় যে রাত জেগে ইবাদত করে তার ফযীলত:
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  বলেছেন,
«مَنْ قَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا، غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ»
“যে ব্যক্তি রমযানের রাতে সওয়াবের আশায় রাত জেগে ইবাদত করে, তার পূর্বের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়”।[244]
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রমযান সম্পর্কে বলতে শুনেছি,
«مَنْ قَامَهُ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا، غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ»
“যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সাওয়াব লাভের আশায় কিয়ামে রমযান অর্থ্যাৎ তারাবীর সালাত আদায় করবে তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেওয়া হবে”।[245]

সহীহ হাদীসের আলোকে সাওম বিশ্বকোষ (২য় পর্ব)

সহীহ হাদীসের আলোকে সাওম বিশ্বকোষ (২য় পর্ব)



১ম পর্ব | ২য় পর্ব | ৩য় পর্ব


শা‘বান মাসের সাওম

‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
«كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ " يَصُومُ حَتَّى نَقُولَ: لاَ يُفْطِرُ، وَيُفْطِرُ حَتَّى نَقُولَ: لاَ يَصُومُ، فَمَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اسْتَكْمَلَ صِيَامَ شَهْرٍ إِلَّا رَمَضَانَ، وَمَا رَأَيْتُهُ أَكْثَرَ صِيَامًا مِنْهُ فِي شَعْبَانَ»
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একাধারে (এত বেশি) সাওম পালন করতেন যে, আমরা বলাবলি করতাম, তিনি আর সাওম পরিত্যাগ করবেন না। (আবার কখনো এত বেশি) সাওম পালন না করা অবস্থায় একাধারে কাটাতেন যে, আমরা বলাবলি করতাম, তিনি আর (নফল) সাওম পালন করবেন না। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রমযান ব্যতীত কোনো পুরা মাসের সাওম পালন করতে দেখি নি এবং শা’বান মাসের চেয়ে কোনো মাসে বেশি (নফল) সাওম পালন করতে দেখি নি”।[164]

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০১৫

সহীহ হাদীসের আলোকে সাওম বিশ্বকোষ (১ম পর্ব)

সহীহ হাদীসের আলোকে সাওম বিশ্বকোষ (১ম পর্ব)



১ম পর্ব | ২য় পর্ব | ৩য় পর্ব


সূচিপত্র
ক্রম বিষয়
1. ভূমিকা
2. প্রথম অধ্যয়: সাওমের পরিচয়, ইতিহাস ও তাৎপর্য
3. সাওমের পরিচয়, সাওমের অভিধানিক অর্থ
4. সাওমের ইতিহাস ও তাৎপর্য, যুগে যুগে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ে সাওম
5. সাওমের তাৎপর্য

শুক্রবার, ২৯ মে, ২০১৫

কোনো এক স্থানের চাঁদ দেখা সারা বিশ্বের জন্য প্রযোজ্য কি?

কোনো এক স্থানের চাঁদ দেখা সারা বিশ্বের জন্য প্রযোজ্য কি?



কোনো এক স্থানের চাঁদ দেখা সারা বিশ্বের জন্য প্রযোজ্য কি?

আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন, ওয়াস্ স্বালাতু ওয়াস্ সালামু আলা রাসূলিহিল্ আমীন, আম্মা বাদঃ
অতঃপর পবিত্র রামাযান মাস এবং ঈদ নিকটে আসলেই মুসলিম সমাজে একটি বিষয়ের চর্চা বৃদ্ধি পায়; বরং সাম্প্রতি বিষয়টির চর্চা একটু বেশীই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তা হল, পৃথিবীর কোনো স্থানে বা দেশে যদি হিলাল (১ম তারিখের চাঁদ) দেখা যায় এবং সেই সংবাদ যদি বিভিন্ন দেশে পৌঁছে যায়, তাহলে সেই খবরটি সকল মুসলিমের সাউম শুরু করা বা ছাড়ার জন্য প্রযোজ্য কি না? অনেক স্থানে এ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হয়। পক্ষে বিপক্ষে দলীল-প্রমাণ ও যুক্তি দিতেও দেখা যায়। আবার অনেকে এসবের তোয়াক্কা না করে অন্য দেশে চাঁদ দেখা দিলে বিশেষ করে সউদীতে দেখা দিলে তারা সউদীর সাথে সাউম পালন শুরু করে দেয় কিংবা ঈদ করে। এর ফলে একই দেশে ও সমাজে বসবাস করার পরেও কেউ এক-দুই দিন আগেই রোযা ধরে কিংবা ছাড়ে।

সোমবার, ১৮ মে, ২০১৫

শিশুর নৈতিকতা গঠনে পারিবারিক শিক্ষা ও পর্দা অনুশীলনের গুরুত্ব

শিশুর নৈতিকতা গঠনে পারিবারিক শিক্ষা ও পর্দা অনুশীলনের গুরুত্ব




শিশুর নৈতিকতা গঠনে পারিবারিক শিক্ষা ও পর্দা অনুশীলনের গুরুত্ব

আমাদের মা-বাবা, ভাই-বোন কে নিয়ে পরিবার গড়ে উঠে। একজন শিশু সন্তান জন্মের পর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণের পূর্বে ৪-৫ বছর পরিবারে বেড়ে ওঠে। এ সময়টিতে তার মানসিক বিকাশ ও নৈতিক চরিত্র গঠন হয়ে থাকে। শিশুর মায়ের কোল তার শিক্ষার হাতে খড়ি। ফলে পরিবার থেকেই শিশু প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করে।